মহীয়ান

মহান স্রষ্টার কি দারুণ মহত্বের অভিলাষ!
কুরাআনুল কারিমে মেলে সব সৃষ্টির আভাস।
প্রবহমান কালের এইবিশ্ব ব্রক্ষ্মান্ডের মহাকারিগর,
অতুলনীয় মহিমা তাঁর রুপে বিভর চারিধার।

পানি থেকে সবকিছু সৃষ্টির মূল উপাদান,
তা থেকে সমস্ত কিছু মাখলুক সজীব প্রাণবান।
অগণিত প্রাণীসকল চরে যার কুদরতে,
গুনে ও শেষ না হয় অসীম বরকতে।

দেশে দেশে দশে দশে কত জ্ঞানী মহাজন,
ধরণী বেষ্টন করে চলে যুগ-যুগের চেতন।
ঊর্ধ আরশে প্রভু তুমি! সেরা মহীয়ান,
দুর্ভ‍্যেদ‍্য দূর্গম পথে কত জাগ্রত ঈমান।

কত খ‍্যাতি-কুখ‍্যাতি ভয়ার্ত মানব সাগরে,
কালের চাকায় আসে যায় কত জোয়ারে।
কখনো শান্ত সুধাস্নিগ্ধ অপরুপ পুলকে বসুন্ধরা,
শস‍্য সবুজের সমারোহে প্রকৃতি চাদরে মোড়া।

আবার কখনো —-

উত্তাল জনরোষে ভূ-কম্পিত এ শুস্ক ধরা,
যুদ্ধর দামামা বাজে,শোকার্ত কত অশ্রুহারা।
মহামারী,সাইক্লোনে ভেঙে গেছে প্রভাতের হাট,
নেই কোলাহল! থেমে গেছে কল্লোল জনপথবাট।

অমর বেদনা হে দয়াময়! রহে গেল মর্মর নিশ্বাসে,
তবু আজি প্রস্ফুটিত চিরন্তন চেতন ঈমানের উচ্ছ্বাসে।
বর্ষে বর্ষে আনিয়াছ কুঞ্জে কুঞ্জে কাননে বসন্ত,
অকৃত্রিম প্রেমমালা গেঁথে সপেছি যুগ-যুগান্ত।

কি শোভনীয় আলোক মহিমা এ নিখিল জাহানে,
নীরব ভূবনে প্রাণের বাঁচার ব‍্যাকুলতা নববসন্ত পবনে।
তোমার নেয়ামতে আশীষ হরষে ঊষা উঠুক পুবগগনে,
ভরে যাক ভুভৃৎ হইতে আকাশ -বাতাস পুস্প ঘ্রাণে সনে।
ধন‍্য তোমার কৃপাসিন্ধু! সৃষ্টির অনাদি-অসীম কারবার,
মানবের তরে আলোকমালা সাজাইলে নবপ্রভাত পুর্নবার।

————————-

[“আর প্রানবান সমস্ত কিছু সৃষ্টি করলাম পানি থেকে।”
সুরা আম্বিয়া, আয়াত—৩০ ]

আপনার মতামত

avatar
  Subscribe  
Notify of